হাম রোগের হোমিওপ্যাথিক ঔষধঃ (Homeopathic medicine for measles)
হাম রোগরে হোমওিপ্যাথকি ঔষধঃ (Homeopathic medicine for measles)
হাম ওঠার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহঃ
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ এর মাধ্যমে প্রায় যে কোন রোগের ক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধান করা যায় তাই লক্ষণ মিলিয়ে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহ নিয়মিত কোন ডাক্তার এর পরামর্শ করে সেবন করুন। আশা করি রোগ আরগ্য হবে ইনশাল্লাহ। নিম্নে হাম ওঠার হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলোর লক্ষণ ভিত্তিক আলোচনা করা হলঃ
একোনাইট ন্যাপ : প্রবল জ্বর,অস্থিরতা,ছটফটানি,খুকখুকে কাশি,ঘনঘন পানি পিপাসা,ঘর্ম বিহীন জ্বর ইত্যাদি লক্ষণে একোনাইট ভাল কাজ করে। শক্তি ৩ এক্স দুই ঘন্টা অন্তর অন্তর সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সেব্য।
বেলেডোনা : প্রচন্ড জ্বর,মুখমন্ডল চক্ষু লাল,মাঝেমাঝে অল্প ঘাম,ঘুমঘুম ভাব,বারে বারে চমকাইয়া ওঠে। শক্তি ৩ এক্স ২ ঘন্টা অন্তর অস্তর সামান্য ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে সেব্য।
জেলসিমিয়াম ও আর্সেনিক আয়োড : সর্দি,জ্বর,নাক,চোখ দিয়া পানি পড়ে,ঘনঘন হাচি,শুস্ক কাশি আচ্ছন্ন ভাবে পড়িয়া থাকে,মাঝেমাঝে উত্তেজিত হয়ে কাঁদে,মাথা ভীষন গরম,নড়াচড়া করিতে চায়না,মাঝেমাঝে চমকাইয়া ওঠে। শক্তি ৩ এক্স ৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর পর্যায়ক্রমে একবার জেলসিমিয়াম ও একবার আর্সেনিক আয়োড দিলে হাম বের হয়ে যায় এবং দ্রুত আরোগ্য হয়।
এন্টিম টার্ট : হাম ভাল রুপে বাহির হইতে না পারিলে কিংবা কিছু বাহির হয়ে মিলিয়া গিয়া জ্বর,কাশি,কফ,গলায় সাই সাই গড়গড় শব্দ,শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট,আচ্ছন্ন ভাবে পড়িয়া থাকে,মাঝেমাঝে উত্তেজিত হয়ে কাঁদে। শক্তি ৩ এক্স ২ ঘন্টা অন্তর অন্তর সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সেব্য।
ব্রাইওনিয়া : সর্দি,কাশি,জ্বর,শরীরে বেদনা,রোগী স্থির হইয়া পড়িয়া থাকে,নড়াচড়া করিতে চায়না,কোষ্টবদ্ধ হাম সহজে প্রকাশ পায়না ইত্যাদি লক্ষণে ব্রাইওনীয়া ভাল কাজ করে। ৩০ বা ২০০ তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সেব্য।
সালফার : প্রবল জ্বর হাম সামন্য বাহির হইয়া আর বাহির হচ্ছে না,ঠোট লাল,হাত পায়ের তালু অত্যন্ত গরম,দিন রাত্রি ছটফট করে,নিদ্রা হয়না,বিশেষ করে লাল খাওয়া লুপ্তিতে সালফার ভাল কাজ করে। শক্তি ২০০ দুই মাত্রা সেবনই হাম বাহির হয়ে যায়।
মর্বিলিনাম : কোন এলাকায় যখন হাম দেখা যায় তখন যদি মর্বিলিনাম সেবন করে তাহলে হাম এর প্রতিষেধক ঔষধ হিসাবে কাজ করে। শক্তি ২০০ সপ্তাহে ১ মাত্রা সেবনে হাম থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
বাইওকেমিক ঔষধ সমূহঃ
ফেরাম ফস ও ক্যালি মিউর : সর্ব প্রকার হাম জ্বরে এই দুটি ঔষধ পর্যায়ক্রমে সেবনে হাম বের হয়ে জ্বর আরোগ্য হয়। হাম বের হতে বিলম্ব হলে উক্ত ঔষধের সাথে ক্যালি সালফ ৩ থেকে ৪ মাত্রা সেবনে হাম বের হয়ে যায়। শক্তি ৬ বা ১২ এক্স ২/১ ঘন্টা অন্তর অন্তর সেবন করলে হাম আরোগ্য হয়।
ক্যালি সালফ : হাম বের হতে বিলম্ব
হলে উক্ত ঔষধের সাথে ক্যালি সালফ ৩ বা ৪ মাত্রা সেবনে হাম বের হয়ে যায়।
বিঃদ্রঃ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কোন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া ঠিক নয় এতে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সচেতনতার সাথে ব্যবহার করুন।
লেখাটি পাড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ নিজে জানুন এবং অপরের কাছে লিঙ্ক শেয়ার করে অন্যদেরকে জানতে সাহায্য করুন।
